Log In

সংবাদ শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের বার্তা ত্যাগ, কারাভোগ ও দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট জাপানে ২ সপ্তাহে ৯০০ ভূমিকম্প, ঘুমাতে পারছেন না বাসিন্দারা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনে যেতে হলে সংসদের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন : আমীর খসরু জাতীয় ঐকমত্য গঠনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে বিএনপি: সালাহউদ্দিন রাজউক’র ইমারত পরিদর্শক তারিফুরের সীমাহীন দুর্নীতি! (দুর্নীতি ও অনিয়ম পর্ব-১) বিমানবন্দর ও এয়ারলাইন্সগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা সাদপন্থিদের নিষিদ্ধ ও ইজতেমা না করতে দেওয়ার দাবি

সিলেট কাস্টমসে ব্যাগেজ রুলের আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য খালাসের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে রাজস্ব কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ

সিলেট কাস্টমসে ব্যাগেজ রুলের আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য খালাসের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে রাজস্ব কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট কাস্টমস হাউসের অধীন বিমানবন্দরে ব্যাগেজ রুলের আওতায় বিপুল পরিমাণ পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি পর্যন্ত পণ্য যাত্রীদের ব্যক্তিগত ব্যাগেজ হিসেবে দেখিয়ে প্রতি কেজিতে মাত্র ১৫০ টাকা শুল্ক পরিশোধে খালাস করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় রাজস্ব কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তাঁদের অভিযোগ, কাতার, সৌদি আরব, দুবাই ও লন্ডনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পণ্যের চালানের একটি অংশ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আমদানি করা হলেও সেগুলো ব্যাগেজ রুলের আওতায় খালাসের সুযোগ পাচ্ছে। এতে প্রকৃত শুল্ক-কর আদায় হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ব্যক্তিগত ব্যাগেজের আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য? অভিযোগ অনুযায়ী, এসব চালানে দামি প্রসাধনী, দুধ ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য, কাপড়চোপড়, ঘড়ি, ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস রয়েছে। এ ছাড়া গৌরী ক্রিম, যৌনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট পণ্য এবং নিয়ন্ত্রিত বা নিষিদ্ধ পণ্য খালাসের অভিযোগও করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব পণ্যের প্রকৃতি, পরিমাণ, আমদানির উদ্দেশ্য এবং শুল্ক নির্ধারণের পদ্ধতি যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। যাত্রীর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আনা পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুবিধা বাণিজ্যিক চালানে ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা রাজস্ব আদায়ে প্রভাব ফেলতে পারে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কিছু চালানের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ১৫০ টাকা শুল্ক দিয়ে পণ্য খালাসের দাবি রয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকার বিমানবন্দরে কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৫৬০ টাকা শুল্ক নেওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে তাঁরা শুল্ক আদায়ের পার্থক্য তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

★ ৪০০–৫০০ কেজি পণ্যে নামমাত্র শুল্ক দেওয়ার দাবি

★ রাজস্ব ফাঁকি ও স্বর্ণ চোরাচালানে সহযোগিতার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

স্বর্ণ চোরাচালানে সহযোগিতার অভিযোগও : রাজস্ব কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক পণ্য খালাসে অনিয়মের সুযোগ করে দেওয়া এবং স্বর্ণ চোরাচালানে সহযোগিতার অভিযোগও তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা নথি, নির্দিষ্ট চালানের তথ্য কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো তদন্তের ফলাফল পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি।

এনবিআরের তদন্ত দাবি : অভিযোগকারীরা সিলেট কাস্টমস হাউসের অধীন বিমানবন্দরে ব্যাগেজ রুলের আওতায় খালাস হওয়া বড় চালানগুলোর নথি পরীক্ষা, শুল্ক নির্ধারণের হিসাব নিরীক্ষা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, তদন্তে অনিয়ম বা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারের আর্থিক ক্ষতি নিরূপণ করে তা আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সময়ের বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *